ঈশ্বরদীতে ৪র্থ দিনের লকডাউনে বেড়েছে মানুষের সখ্যতা, প্রসাশনের তৎপরতা কম

মহামারি করোনাভাইরাস সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে ২য় দফায় ‘সর্বাত্মক লকডাউনের’ ৪র্থ দিনে ঈশ্বরদীর রাস্তাঘাট প্রথম দিনের মতো ফাঁকা নেই। গণপরিবহন বন্ধ থাকলেও রাস্তায় রিকশা ও অটো চলাচল বেড়েছে। কিছু সিএনজিচালিত অটোরিকশাও চলতে দেখা গেছে, বেড়েছে সাধারন মানুষের ব্যক্তিগত গাড়িও।

শনিবার ষ্টেশন রোড, পাবনা রোড, কলেজ রোড, ঘুরে এমন দৃশ্য দেখা গেছে। তবে যানচলাচল ও পথচারী চলাচল নিয়ন্ত্রণে প্রসাশনের তৎপরতা দেখা যায়নি। কয়েকটি স্থানে পুলিশের তল্লাশি চেকপোষ্ট থাকলেও বিধিনিষেধ আরোপে তেমন কোন পদক্ষেপ নেই।

ঈশ্বরদীতে ৪র্থ দিনের লকডাউনে বেড়েছে মানুষের সখ্যতা, প্রসাশনের তৎপরতা কম
আজ সকাল ১০ টার দিকে ঈশ্বরদী ষ্টেশন রোড এমন দৃশ্য দেখা যায়। ছবি:- উজ্জল হোসেন , দৈনিক সত্যের সকাল।

প্রথম দিনে বিভিন্ন সড়কে রাস্তায় বেষ্টনী দিয়ে যান চলাচল বন্ধের যে দৃশ্য দেখা গিয়েছিল ৪র্থ দিনে তা আর দেখা যায়নি।

প্রথমদিনে তল্লাশি চেকপোষ্টে প্রত্যেকটি যানবাহন থামিয়ে মুভমেন্ট পাস আছে কিনা জানতে চাইতেন পুলিশ সদস্যরা। এখন আর কোন কিছুই লাগছে না।

ইতিপূর্বে জরুরি সেবার সঙ্গে সম্পৃক্ত ছাড়া অন্যদের ‘মুভমেন্ট পাস’ ছাড়া বাসার বাইরে না আসতে মাইকিংও করা হয়েছিল। এখন মানছেন না কেউ।

কয়েকজন রিকশাচালক বলেন, “ পেটের খিদায় রাস্তায় নামছি। ভুল হইছে আমাগো। কিন্তু করণের কিছু নাই।”

করোনায় সরকারি নিষেধাজ্ঞা মেনে যথারীতি বন্ধ আছে ঈশ্বরদী বাজারে কয়েকটি কাপড়ের বড় মার্কেট। তবে খুচরা কাপড় ব্যবসায়ী অনেকেই দোকানের এক পাল্লা খুলে বসে থাকতে দেখা গেছে।

করোনাভাইরাসের ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণের প্রেক্ষাপটে গত বুধবার ১৪ই এপ্রিল ২য় দফায় সকাল থেকে কঠোর বিধিনিষেধ চালু করে সরকার। এই বিধি নিষেধকে ‘সর্বাত্মক লকডাউন’ বলা হচ্ছে। টানা আটদিনের এই নিষেধাজ্ঞা চলবে ২১ এপ্রিল রাত ১২টা পর্যন্ত।

তবে লকডাউনের মধ্যে পোশাক রপ্তানি প্রতিষ্ঠানসহ শিল্প-কলকারখানা খোলা রাখা হয়েছে। বাংলা নববর্ষের ছুটির পর বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে তিন ঘণ্টার জন্য ব্যাংক লেনদেন ও পুঁজিবাজারের কার্য্ক্রমও চালু হয়েছে।

উজ্জল (ঈশ্বরদী) / সত্যের সকাল

পূর্ববর্তী খবর১৭ই এপ্রিল ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস
পরবর্তী খবরচট্টগ্রামের বাঁশখালীতে পুলিশ-শ্রমিক সংঘর্ষ, নিহত ৪

Leave a Reply