ঈশ্বরদীর ব্যাংকগুলোতে উপচে পড়া ভিড় মানা হচ্ছে না কোন সাস্থ্যবিধি

সরকারের দেওয়া স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলার বিধান ও করোনাকে ভয় না করেই ঈশ্বরদীর ব্যাংকগুলোতে গাদাগাদি ভীড় জমিয়েছেন গ্রাহকরা।

সপ্তাহের ও মাসের প্রথমদিনে ঈশ্বরদীর ব্যাংকগুলো ঘুরে এই চিত্র দেখা যাচ্ছে।

শুক্র ও শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটি কাটিয়ে মাসের প্রথমে রবিবার (২ মে) ব্যাংকের প্রথম কর্মদিবস শুরু হয়। ব্যাংক খোলার আগে থেকেই গ্রাহকরা ব্যাংকের সামনে জমিয়েছেন ভীড়। ব্যাংকের ভেতরে ও বাইরে গাদাগাদি-ঠাসাঠাসি করে গ্রাহকদের অপেক্ষা করতে দেখা যায়।

মাস শেষ হওয়ায় অনেকেই এসেছেন বেতন তুলতে। আবার ডিপিএসের টাকা জমা দেওয়ার জন্যও অনেকে এসেছেন।

আগামী ১০ মে এই অবস্থা ঈশ্বরদীর ব্যাংকগুলোতে বিরাজ করবে বলে জনৈক ব্যাংক কর্মকর্তা জানিয়েছেন।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের বিভিন্ন ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানে প্রায় ৩০ হাজার শ্রমিক বর্তমানে কর্মরত রয়েছে। এছাড়া ইপিজেডে, প্রাণ কোম্পানীসহ বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে প্রায় আরো ৩০ হাজার শ্রমিক-কর্মচারী কাজ করছেন। এসব প্রতিষ্ঠানের বেতন ব্যাংকের মাধ্যমে পরিশোধ হয়।

মাসের প্রথম দিকে বেতন তোলার জন্য সবসময়ই ব্যাংকগুলোতে ভীড় জমে থাকে। নাম প্রকাশ না করে ব্যাংকে অপেক্ষামান শ্রমিক-কর্মচারীরা জানান, একদিকে টাকার প্রয়োজন অন্যদিকে গ্রাহকের সিরিয়াল বেশি তাই স্বাস্থ্য বিধি মানা সম্ভব হচ্ছে না।

এরই মধ্যে স্কুল-কলেজসহ সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরতদের বেতনের সাথে বোনাস দেয়া হয়েছে। বোনাস তুলে ঈদের কেনাকাটার জন্য অনেকে এসেছেন ব্যাংকে টাকা তুলতে।

সবমিলিয়ে অন্যান্য বছরের মতো এসময়ে ব্যাংকে এমনিতেই চাপ থাকে বেশী। কিন্তু এবারে করোনার কারণে পরিস্থিতি হলেও টাকা-পয়সার প্রয়োজনে গ্রাহকরা স্বাস্থ্য বিধির তোয়াক্কা না করে ও করোনাকে ভয় না করেই ব্যাংকে ভীড় করছেন।

পূর্ববর্তী খবরইসরাইলের সর্ববৃহৎ বিমানবন্দরের কাছে ব্যাপক অগ্নিকাণ্ড
পরবর্তী খবরআমেরিকার দুঃস্বপ্নের কারণ হবে চীনা পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান জে-২০

Leave a Reply