কচুয়া ২য় দিনের লকডাউন পরিস্থিতি

বাগেরহাট জেলার কচুয়া উপজেলায় সরকার ঘোষিত লকডাউনের ২য় দিন পার হলো। এদিন যান বাহন চলাচল সীমিত হলেও কচুয়া বাজারের সাপ্তাহিক হাট থাকায় এদিন দেখাগেছে মানুষের অবাদ যাতায়াত।প্রশাসনের পক্ষথেকে মাইকিং সহ নানা ভাবে বিধি নিষেধ আরোপ করে লকডাউন সফল করতে চাইলেও সাধারণ মানুষের মাঝে এনিয়ে এক রকম অনিহা লক্ষ করা গেছে।
উপজেলা সদরে সহ মেইন সড়কের পাশের দোকানপাট বন্ধ রাখা হলেও গ্রাম পর্যায়ে তা মানা হচ্ছে না।যাত্রীবাহী বাস চলাচল না করলেও বেশকিছু ব্যাটারীচালিত ইজিবাইক, ভ্যান, মোটর সাইকেল, বাইসাইকেল অবাদে চলতে দেখা গেছে।ছোট-বড় বাজার গুলোতে স্বাভাবিক দিনের তুলনায় কিছুটা লোক সমাগম কম ছিল।এই যখন অবস্থা তখন স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের তৎপরতা থাকলেও নানা কারনে লকডাউন পরিস্থিতি কড়াকড়ি করা যাচ্ছে না।
কচুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মনিরুল ইসলাম বলেন,আমরা চেষ্ঠা করছি মানুষকে ঘরে রাখতে। জরুরীসেবায় ব্যবহারিত যানবাহন চলছে।লকডাউন বাস্তবায়নে আমাদের কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
কচুয়া ২য় দিনের লকডাউন পরিস্থিতি
জনসচেতনতার জন্য মাইকিং করছে প্রশাসন।
কচুয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুজিৎ দেবনাথ বলেন, প্রশাসনের পক্ষথেকে মাস্ক বিতরণসহ অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এছাড়া প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের লকডাউন বাস্তবায়নে তার নিজ নিজ এলাকায় তদারকি জোড়দার করার নির্দেশনাও রয়েছে।
এ বিষয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার কচুয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি একটি সংবাদ মাধ্যমে বলেছেন, মানুষকে ঘরে রাখার জন্য প্রশাসনের চেষ্ঠা থাকলেও রাজনৈতিক নেতাদের পক্ষথেকে তেমন কোন আগ্রহ দেখা যাচ্ছেনা। সরকারী নির্দেশনা তো মানুষকে বাঁচানোর জন্য আর এটা মানুষ বোঝেনা।তিনি উল্লেখ করেন, প্রশাসনকে আরো কঠোর হতে হবে এছাড়া এর সুফল পাওয়া সম্ভব নয়।
তবে নাম প্রকাশে সাধারণ মানুষের বক্তব্য তারা লকডাউন মানতে চায় কিন্তু পেটের তাগিদে শতভাগ লকডাউন মেনে চলা তাদের সম্ভব হচ্ছে না।তাছাড়া সরকারি ভাবেও লকডাউন পরিস্থিতি মোকাবেলায় কোন সাহায্য সহযোগিতা পাচ্ছে না।এই পরিস্থিতিতে অনেকেই পড়ছে অর্থনৈতিক সংকটে।
উজ্জ্বল কুমার দাস (কচুয়া, বাগেরহাট) / সত্যের সকাল।
পূর্ববর্তী খবরদর্শক – তামান্না সুলতানা নিশি
পরবর্তী খবরডুমুরিয়ায় করোনায় ভ্রাম্যমাণ নিরাপদ মাছ বাজার।

Leave a Reply