পাবনায় পিসিআর ল্যাব, আইসিইউ ও স্ট্রোল হাই-ফ্লো অক্সিজেন স্থাপনের জন্য মানববন্ধন!

রবিবার (২৭ জুন) দুপুর ১২টার দিকে পাবনায় পিসিআর ল্যাব, আইসিইউ ও স্ট্রোল হাই-ফ্লো অক্সিজেন স্থাপনের দাবিতে মানববন্ধন হয়েছে। সেইসাথে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও সিভিল সার্জনকে স্বারকলিপি প্রদান করেন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

পাবনা প্রেসক্লাবের সামনে আব্দুল হামিদ সড়কে মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। “আমরা পাবনাবাসী” এর ব্যানারে মানববন্ধনে অর্ক অ্যাসিস্ট্যান্ট অব রিহ্যাবিলিটেশন, কালের কন্ঠ শুভ সংঘ পাবনা শাখা, তহুরা আজিজ ফাউন্ডেশন, পাবনা এ্যাসোসিয়েশন, ইয়োলো ল্যাম্প, স্পর্শসহ প্রায় ১৫টি সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এতে অংশ নেয়।

মাববন্ধনে বক্তারা বলেন, জেলায় করোনাভাইরাস সংক্রমণ দিন দিন বৃদ্ধি পেলেও করোনা রোগীদের জন্য কোন চিকিৎসা ব্যবস্থা নেই জেনারেল হাসপাতালে। করোনাভাইরাস সংক্রমণের প্রথম থেকেই পাবনার মানুষের প্রাণের দাবি ছিল করোনা পরীক্ষার জন্য পিসিআর ল্যাব চালু, আইসিইউ বেড স্থাপন ও সেন্ট্রাল হাই-ফ্লো অক্সিজেন ব্যবস্থা চালু করা। কিন্তু দেড় বছর অতিবাহিত হলেও তার কোনোটিই বাস্তবায়ন হয়নি।

এমন পরিস্থিতিতে দ্রুত পাবনায় পিসিআর ল্যাব স্থাপন, আইসিইউ চালু ও সেন্ট্রাল হাই-ফ্লো অক্সিজেন ব্যবস্থা চালু করার দাবি জানান বক্তারা। তা না হলে বৃহত্তর কর্মসূচীর ডাক দেয়া হবে বলেও হুশিয়ারী উচ্চারণ করেন তারা।

মানববন্ধন শেষে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও সিভিল সার্জনকে দাবি সম্বলিত একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন আয়োজকরা।

ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধনে বক্তব্য দেন, পাবনা প্রেসক্লাবের সভাপতি এবিএম ফজলুর রহমান, তহুরা আজিজ ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক দেওয়ান মাহবুব, প্রেসক্লাবের সাবেক সম্পাদক আহমেদ উল হক রানা প্রমুখ।

এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে পাবনার সিভিল সার্জন ডা. মনিসর চৌধুরী বলেন, পিসিআর ল্যাব মেশিন আনতে ঢাকায় লোক পাঠানো হয়েছে। দু’একদিনের মধ্যে মেশিন চলে আসবে। আমরা আশা করছি দুই সপ্তাহের মধ্যে পাবনায় পিসিআর ল্যাব স্থাপন হয়ে যাবে। আর সেন্ট্রাল অক্সিজেন স্থাপনের বিষয়টি এখনও ধীরগতি। আমরা সবাই মিলে চেষ্টা করছি নির্মাণকাজ দ্রুত শেষ করার জন্য। সেন্ট্রাল অক্সিজেন স্থাপন হয়ে গেলে আইসিইউ চালু হবে।

পাবনা জেলা প্রশাসক বিশ্বাস রাসেল হোসেন বলেন, পাবনাবাসীর জন্য সুখবর হলো খুব শিগগরি এসব সমস্যার সমাধান হবে। পিসিআর ল্যাবের যন্ত্রপাতি আনা হচ্ছে। সেইসাথে সেন্ট্রাল হাই-ফ্লো অক্সিজেন এর নির্মাণকাজ তিন চার দিনের মধ্যে শেষ হবে। দ্রুতই এসব চালু হয়ে যাবে আশা করি।

পূর্ববর্তী খবরমোংলা পোর্ট পৌরসভার ২০২১-২২ অর্থ বছরের প্রায় দুইশ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা।
পরবর্তী খবরপাবনায় বস্তাবন্দি তরুণের লাশ উদ্ধার!

Leave a Reply