পাবনায় বাল্যবিয়ে বন্ধ হল প্রশাসনের হস্তক্ষেপে

শুক্রবার (১৭ সেপ্টেম্বর) পাবনার চাটমোহর উপজেলার বিলচলন ইউনিয়নের নটাবাড়িয়া গ্রামে বিয়ের আয়োজন চলছিল।
বরের বাড়ি থেকে কনের বাড়ির দূরত্ব মাত্র এক কিলোমিটার। দুপুরের পরপরই কনের বাড়িতে বরযাত্রী হাজির হওয়ার কথা ছিল। মঞ্চ আর প্যান্ডেল তৈরির কাজও শেষ।

অতিথি আপ্যায়ণের জন্য বাড়ির ভেতরে চলছিল খাবার তৈরির ব্যস্ততা। কনের বাড়ির লোকজন বর আসার ক্ষণ গুণছিলেন। এমন সময় বিয়ে বাড়িতে হাজির হন বিট পুলিশিং কর্মকর্তা ও স্কুলের প্রধান শিক্ষক। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে বাল্যবিয়ে বন্ধ করে দেন তারা।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বেলা ১১টায় কনের বাবা জাহাঙ্গীর খলিফার বাড়িতে হাজির হন বিলচলন ইউনিয়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিট পুলিশিং কর্মকর্তা থানার এসআই মমিনুল, এএসআই নুরুজ্জামান বাচ্চু ও উত্তর সেনগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ সাইফুল ইসলাম।

কনের পিতা জানান, আদালতে বয়স এভিডেবিট করা হয়েছে। তবে স্বীকার করেন, তার মেয়ে জুই খাতুন (১৪) উত্তর সেনগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণী পড়ুয়া ছাত্রী। স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোঃ সাইফুল ইসলামও বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

এ ব্যাপারে ইউএনও মোঃ সৈকত ইসলাম বলেন, করোনাকালে জনসমাগম করে বাল্যবিয়ের আয়োজন করেছিলেন তাঁরা। আইন ভঙ্গ করায় তাৎক্ষণিক বিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। একইসাথে কনের পিতার মুচলেকা নেওয়া হয়েছে বিয়ে না দেওয়ার জন্য। এরপরও যদি গোপনে বিয়ে দেন তাহলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পূর্ববর্তী খবরগ্রেপ্তারকৃত ইভ্যালির সিইও রাসেল হাসপাতালে ভর্তি
পরবর্তী খবরবাইডেনের সম্মেলনে শেখ হাসিনার ৬ প্রস্তাব

Leave a Reply