বশেমুরবিপ্রবিতে অধ্যাপকের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন 

মোঃ  পারভেজ  হাসান, বশেমুরবিপ্রবি সংবাদদাতা : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো: শাহজাহানের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

আজ (সোমবার) দুপুর ১.৩০ এ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে প্রায় অর্ধ শতাধিক শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা দাবি করেন একটি মহল উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে এবং ষড়যন্ত্রমূলক ভাবে অধ্যাপক ড. শাহজাহানের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছেন। পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী নিশাত নাবিল আহমেদ বলেন, “শাহজাহান স্যার অত্যন্ত সৎ, নীতিবান এবং দায়িত্বশীল শিক্ষক। কিন্তু সম্প্রতি তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। একজন শিক্ষার্থী হিসেবে আমি মনে করি তার দ্বারা কখনও এধরণের কর্মকান্ড হতে পারে না এবং তার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা ভিত্তিহীন। বিশ্ববিদ্যালয়ে সুন্দর পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসনের নিকট আমাদের আহ্বান তারা যেনো এ বিষয়ে সুষ্ঠু তদন্ত করে এবং ভবিষ্যতে কেউ কোনো শিক্ষককে মিথ্যা অভিযোগের মাধ্যমে হেনস্তা না করতে পারে সে বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়।”

মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থী রাসেল শিকদার বলেন, “গত কয়েকদিন ধরেই স্যারের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ করা হচ্ছে কিন্তু এখন পর্যন্ত সেই অভিযোগের পক্ষে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায় নি। এর প্রেক্ষিতে আমরা মনে করছি অভিযোগটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং এধরণের অভিযোগ তুলে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করা হচ্ছে। আমরা তাই এধরণের অপপ্রচারের প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং আমরা চাই না ভবিষ্যতে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের আর কোনো শিক্ষক, কর্মকর্তা বা বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্ট কারো সাথে এমন হোক”

প্রসঙ্গত, সম্প্রতি বশেমুরবিপ্রবির উপাচার্য ড. একিউএম মাহবুবের নিকট অধ্যাপক ড. মো: শাহজাহানের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানি ও শ্লীলতাহানির অভিযোগ করেন ড. মো: শাহজাহানের সাবেক গৃহকর্মী। তবে বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীন না হওয়ায় অভিযোগ গ্রহণ না করে ভুক্তভোগীকে আইনী সহায়তা গ্রহণের পরামর্শ দেন উপাচার্য একিউএম মাহবুব।

পূর্ববর্তী খবরলোহাগড়ায় গৃহবধূ আত্মহত্যা প্ররোচণা মামলায় স্বামী আটক
পরবর্তী খবরবশেমুরবিপ্রবিতে বিভাগ অনুমোদনের দাবিতে  কর্মসূচি পালন করল  ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থীরা

Leave a Reply