বাঁশের চাটাই  একমাত্র চলাচলের ভরসা

হিলি  প্রতিনিধিঃ- দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার বোয়ালদাড় ইউনিয়নের খাটা উচনা বাজার থেকে খাটেচড়া গ্রামে যাওয়ার প্রধান সড়কের কালভাটি ভেঙ্গে যাওয়ায় ঝুঁকিপূর্ণ কালভার্টের উপর দিয়ে ঝুকি নিয়ে  চলাচল করছে মানুষ। কালভার্টটি ভেঙে যাওয়ায় বাঁশের চাটাই দিয়ে কোন রকমে মানুষ জন মটরসাইকেল ও ভ্যান-রিকশা চলাচল করছে। কালভার্টি যেন মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। যেকোনো সময়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। চলাচলের একমাত্র সড়ক হওয়ায় দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে সবাইকে। দ্রুত কালভার্টি সংস্কারের দাবি করছেন এলাকাবাসী। সেই সাথে ১ কিঃ মিঃ কাঁচা রাস্তাটি পাকা করণের দাবি জানান তারা। 

হাকিমপুর উপজেলা সদর থেকে প্রায় ১২ কিঃ মিঃ পূর্ব উত্তর কোনে খাটা উচনা বাজার থেকে জাংগই বাজারে যাওয়ার পাকা রাস্তার উত্তর পার্শে খাটেচড়া গ্রামটি অবস্থিত। ওই গ্রামে ২০০ থেকে ২৫০ পরিবারের লোকজন বসবাস করে। খাটেচড়া গ্রাম থেকে উপজেলা সদরসহ বিভিন্ন জায়গায় যাওয়ার প্রধান সড়ক এটি। দীর্ঘ দিনের পুরোনো কালভার্টটির বর্তমানে ঢালাই নেই,আছে শুধু রড। গ্রামবাসী ভাঙা কালভার্টের উপর বাঁশের চাটাই দিয়ে লোকজন যাতায়াত করে থাকেন। ভাঙা কালভাটের উপর দিয়ে যাতায়াত করতে প্রতিনিয়তই বিপদে পড়ছেন তারা। বেশি ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন, ভ্যান-রিকশা চালক, রোগী ও বয়স্ক লোক।

রাতে বেলায় এই কালভাটের উপর দিয়ে চলাচল করা অসম্ভব হয়ে উঠেছে।বিশেষ করে বর্ষার দিনে দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায়। 

বোয়ালদাড় ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের সভাপতি ছদরুল ইসলাম জানান,প্রায় দশ বছর আগে কালভার্টটি নির্মাণ করা হয়েছে।প্রায় এক বছর আগে কালভাটটি ভেঙ্গে যায়।পরবর্তীতে গ্রামবাসী ভাঙ্গা কালভাটের উপর বাঁশের চাটাই দিয়ে কোন রকমে চলাচল করছে। 

বোয়ালদাড় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মেফতাউল জান্নাত বলেন, আমি খাটেচড়া গ্রামের প্রধান সড়কের কালভাটের বিষয়টি জানি।বর্তমানে কোন বরাদ্দ না থাকায় মেরামতের জন্য কাজ করতে পারছি না।আগামীতে বরাদ্দ আসলে নতুন কালভার্ট নির্মাণ করা হবে। 

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দবেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন দৈনিক সত্যের সকালে। আজই পাঠিয়ে দিনsottersokal@gmail.com

পূর্ববর্তী খবরআ.লীগকে হুমকি-ধমকি দিয়ে লাভ নেই: ওবায়দুল কাদের
পরবর্তী খবরযশোরে স্কুল ছাত্রী অপহরণের অভিযোগে মামলা

Leave a Reply