31 C
Dhaka
Thursday, September 29, 2022

বিএনপির আরেক নাম বাংলাদেশ নালিশ পার্টি: কাদের

সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিএনপি চেয়ারপারসন বেগমখালেদা জিয়ার নিশর্ত মুক্তি, দলের নেতা কর্মদের হত্যা ও সভা সমাবেশে হামলা মামলার প্রতিবাদ এবং জ্বালানিসহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য মুল্যের উর্ধগতির প্রতিবাদে বিএনপির আন্দোলন জোরদার করার পর থেকেই ক্ষমতাশীন দল পাল্টা শক্তি প্রদর্শনের কৌশল নিয়েছে। এ ছাড়া পুলিশকেও ব্যবহার করা হচ্ছে। এ নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনায় অন্তত তিনজন নিহত হয়েছে , শতাধিক আহত হয়েছে । কয়েকশ’ মামলা রুজু হয়েছে।

এ  নিয়ে  জনমত  সরকারের  বিপক্ষে যাওয়ার বিষয়ট আঁচ করতে পেরে আজ সোমবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের সম্পাদকমণ্ডলীর সঙ্গে দলের ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ এবং সহযোগী সংগঠনগুলোর নেতাদের সঙ্গে যৌথ সভায় করেছে। যৌথ সভায় সভাপতিত্ব করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিচ্ছিন্নভাবে এখানে-ওখানে দু’একটা ঘটনা ঘটিয়ে আজকে সরকারের দুর্নাম, আওয়ামী লীগের দুর্নাম। এগুলো যাঁরা করবে, সহ্য করা হবে না।

এ সময় দলের নেতা–কর্মীদের সতর্ক করে দিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘নেত্রীর নির্দেশনার বাইরে কেউ যদি এসব হামলায় জড়িয়ে পড়েন, আমরা কিন্তু শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেব। আমরা কাউকে ছাড় দেব না। এখানে কেন্দ্রের কোনো নির্দেশ নেই।’

ওবায়দুল কাদের বলেন, এ সব ঘটনার সুযোগ নিয়ে বিএনপি সকালে ঘুম থেকে উঠে চলে যায় বিভিন্ন দূতাবাসে। গিয়েই নালিশ। বিএনপির আরেক নাম বাংলাদেশ নালিশ পার্টি। দেশের মানুষের কাছে যতটা না করে, তার চেয়ে বেশি নালিশ করে  বিদেশিদের কাছে। তবে, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর  গতকাল (রোববার) বিকেলে নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এক প্রতিবাদ সমাবেশে বলেছেন, সরকার নিজেরাই দেশে নৈরাজ্য সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে । বাংলাদেশের মানুষ যখন তাদের অধিকার আদায়ের জন্য লড়াই করছে, সংগ্রাম করছে তখন তারা সন্ত্রাস, হত্যা, সভা পণ্ডের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে তারা নৈরাজ্য সৃষ্টি করতে চায়। যাতে তাদের ক্ষমতায় টিকে থাকতে সহজ হয়।

মির্জা ফখরুল বলেন, আমাদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলন শুরু হয়েছে। এই আন্দোলন শুরু হয়েছে সাধারণ মানুষের চাল-ডাল-তেলের দাম কমানোর জন্য, দুর্নীতি নির্মূল করার জন্য, ভোটের অধিকার রক্ষার করার জন্য। ঠিক তখনই আওয়ামী লীগ সরকার তাদের পেটোয়া বাহিনী নামিয়ে দিয়েছে। ওরা হত্যা করেছে ভোলা ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকে। হত্যা করেছে নারায়ণগঞ্জে যুবদলের নেতাকে। মির্জা ফখরুল অভিযোগ করে বলেন, দেশের বিভিন্ন জায়গায় ক্ষমতাসীনরা সন্ত্রাস করছে এবং সভা-সমাবেশ করতে অনুমতি দিচ্ছে না। এভাবে নিপীড়ন-দমন করে বাংলাদেশের মানুষদের কখনো দাবিয়ে রাখতে পারবেন না। দুর্বার গণ-আন্দোলনের মধ্য দিয়ে আপনাদের পরাজিত করা হবে। চলমান আন্দোলন  কর্মসূচির মাঝে  গ্রেফতারকৃত নেতাকর্মীদের অবিলম্বে মুক্তি দাবি জানান বিএনপি মহাসচিব।

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

Leave a Reply

লেখক থেকে আরো