শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সাবেক সাংসদ তুহিন

সাবিনা আক্তার তুহিন

দেশ-ব্যাপি আজ দেবীর বোধনের মধ্যে দিয়ে থেকে থেকে শুরু হচ্ছে বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গা পূজা।

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সংরক্ষিত মহিলা আসনের সাবেক সাংসদ ও ঢাকা উত্তর মহানগর যুব মহিলা লীগের সভাপতি সাবিনা আক্তার তুহিন।

শারদীয় দুর্গা পূজা উপলক্ষে এক শুভেচ্ছা বাণীতে সাবেক সাংসদ সাবিনা আক্তার তুহিন বলেন, “বাঙালি হিন্দুদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা। সমাজে অন্যায়, অবিচার, অশুভ ও অসুরশক্তি দমনের মাধ্যমে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এ পূজা হয়ে থাকে। আবহমানকাল ধরে এ দেশের হিন্দু সম্প্রদায়ের বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনা ও উৎসবমুখর পরিবেশে নানা উপচার ও অনুষ্ঠানাদির মাধ্যমে দুর্গাপূজা পালন করে আসছে।

এ বছর কৈলাশের স্বামীগৃহ থেকে দেবী দুর্গা পিতৃগৃহে আসবেন ‘ঘোটক’-এ অর্থাৎ ঘোড়ায় চড়ে, আর যাবেন দোলায় চড়ে। চন্ডীপাঠ আর অমাবশ্যায় হৃদয়ে নাচন তুলে ঢাকে পড়বে কাঠি। দেবী দুর্গার আগমনে বিভিন্ন মন্ডপে ধূপের ধোঁয়ায় ঢাক-ঢোলক, কাঁসর, মন্দিরের চারপাশে প্রতিধ্বনিত হয়ে দেশের বিভিন্ন মন্দিরে-মন্ডপে দেবী দুর্গার আগমনী বার্তায় হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের ঘরে ঘরে উৎসবের আমেজ বইতে শুরু করেছে। দুর্গা পুজোর বাজনা বেজে ওঠেছে সারাদেশে। দেশে ৩২ হাজার ১১৮টি মন্ডপে দূর্গা পূজা হবে। এ উৎসব সর্বজনীন।

সম্প্রীতির ঐতিহ্য অক্ষুন্ন রেখে জাতীয় উন্নয়নে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে অবদান রাখার আহবান জানিয়ে সাবেক সাংসদ তুহিন বলেন, “দুর্গোৎসব ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার মধ্যে সপ্রীতি ও সৌহাদ্যের বন্ধনকে আরও সুসংহত হোক-এই কামনা করি।

“হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা উপলক্ষে আমি দেশের হিন্দু ধর্মাবলম্বী সকল নাগরিককে প্রাণঢালা শুভেচ্ছা জানাই। দুর্গাপূজা শুধু হিন্দু সম্প্রদায়ের উৎসবই নয়, এটি আজ সর্বজনীন উৎসবে পরিণত হয়েছে। শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে আমি হিন্দু ধর্মাবলম্বীসহ সকল নাগরিকের শান্তি, কল্যাণ ও সমৃদ্ধি কামনা করছি। অশুভ শক্তির বিনাশ এবং সত্য ও সুন্দরের আরাধনা শারদীয় দুর্গোৎসবের প্রধান বৈশিষ্ট্য। সকলে মিলে যুদ্ধ করে বাংলাদেশ স্বাধীন করেছি। তাই এই দেশ আমাদের সকলের। বাংলাদেশ ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষের নিরাপদ আবাসভূমি।

আসুন, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখুন, করোনা থেকে বাঁচুন এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে সম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বন্ধন অটুট রেখে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ক্ষুধা-দারিদ্রমুক্ত ও সুখী-সমৃদ্ধ স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়ে তুলি।

পূর্ববর্তী খবরশারদীয় দূর্গাপুজা উপলক্ষ্যে ঈশ্বরদীতে পুলিশের বিশেষ টহল
পরবর্তী খবরচট্টগ্রাম বিভাগের ইউপি নির্বাচনে আ’ লীগের মনোনয়ন বোর্ডের আগামীকাল

Leave a Reply