সব মিলিয়ে মোট যতবার বন্ধ হয়েছিল ফেসবুক

সার্ভার ডাউনের কারণে ৪ অক্টোবর বেশ কয়েক ঘণ্টা ফেসবুকের সেবায় বিঘ্ন ঘটে। এ কারণে বিশ্বের কোটি কোটি ব্যবহারকারী কয়েক ঘণ্টা ধরে ফেসবুক ব্যবহার করতে পারেননি। তবে ফেসবুকের সার্ভার ডাউনের ঘটনা এটাই প্রথম নয়। যুক্তরাজ্যের দ্য সানের প্রতিবেদনে এসব কথা বলা হয়।

গতকাল সোমবারের আগে চলতি বছর একাধিক বিভ্রাটের মুখোমুখি হন ফেসবুক ব্যবহারকারীরা। এ বছরের জানুয়ারিতে ফেসবুকের ত্রুটির কারণে অধিকাংশ ব্যবহারকারীর মোবাইল অ্যাপ লগআউট হয়ে যায়।

গত মার্চে বিশ্বজুড়ে হাজারো ব্যবহারকারী অভিযোগ করেন, তাঁরা ফেসবুক ব্যবহারে সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। এ সময় ৩৮ হাজার ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারকারীও একই সমস্যার কথা জানান।

গত ৩০ এপ্রিল বড় ধরনের বিভ্রাটের মুখোমুখি হন ফেসবুক ব্যবহারকারীরা। তখন অনেক ব্যবহারকারী অভিযোগ করেন, ব্রাউজারের মাধ্যমে ফেসবুকে ঢোকার চেষ্টাকালে তাঁরা ফাঁকা স্ক্রিন দেখতে পাচ্ছেন। গত সেপ্টেম্বরেও ফেসবুক ব্যবহারকারীরা বিভ্রাটের মুখে পড়েন।

২০১৯ সালের মার্চে ফেসবুক সেবায় বড় ধরনের ব্যাঘাত ঘটে। এতে বিশ্বের কোটি কোটি ব্যবহারকারী ফেসবুক ব্যবহারে সমস্যায় পড়েন। ওই সময় প্রায় ১৪ ঘণ্টা ফেসবুকের সার্ভার ডাউন ছিল। এতটা দীর্ঘ সময় ধরে কোনো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের সেবায় ব্যাঘাত ঘটার নজির নেই।

২০১৫ সালের জানুয়ারিতে ফেসবুক প্রায় ৪০ মিনিটের জন্য বন্ধ ছিল, যা বিশ্বজুড়ে ব্যবহারকারীদের সমস্যায় ফেলে। ২০১৪ সালের জুনে ফেসবুক প্রায় ৩০ মিনিটের জন্য বন্ধ ছিল।

ফেসবুকের এসব বিভ্রাটের ঘটনায় শুধু দুঃখ প্রকাশ ছাড়া টেক জায়ান্টটির পক্ষ থেকে বিস্তারিত কিছু বলা হয়নি। এবারের বিভ্রাটের ঘটনায়ও ফেসবুক বিবৃতি দিয়ে দুঃখ প্রকাশ করে। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটি দ্রুত সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে কাজ করার কথা জানায়।

ফেসবুকের মতো বিশ্বের অন্যতম বড় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বারবার এ ধরনের বিভ্রাটের ঘটনায় তাদের সক্ষমতার পাশাপাশি ব্যবহারকারীদের তথ্যের সুরক্ষার বিষয়টি নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।

অনলাইন নেটওয়ার্ক বিশেষজ্ঞদের ধারণা, ফেসবুকের ডোমেন পদ্ধতির ত্রুটির জন্য এ ধরনের ঘটনা ঘটে থাকতে পারে।

পূর্ববর্তী খবরদেড় বছর পর খুলল ঢাবির আবাসিক হল
পরবর্তী খবরসাড়ে ৬ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন একনেকে

Leave a Reply